২ ভাদ্র ১৪২৪, বৃহস্পতিবার ১৭ আগস্ট ২০১৭, ১:৪৫ অপরাহ্ণ
bangla fonts
facebook twitter google plus rss
Natun Somoy logo

পুরুষের কাঁধে নারীর দায়িত্ব চাপানো সংকটজনক

পুরুষের কাঁধে নারীর দায়িত্ব চাপানো সংকটজনক

একবার চা বানাচ্ছি-
একজনকে চা দিতে গিয়ে দেখি তিনি চোখ বন্ধ করে ফেললেন। পাশের টেবিলে চা রেখে বললাম, আপনার চা। তিনি চেচিয়ে উঠলেন আমি কেন তার ঘুম ভাঙালাম- তাকে মেরে ফেলতে চাই নাকি? একে তার ঘুম হয় না তথাপি আমি ঘুম ভাঙালাম- উদ্দেশ্যকী? যদিও একটু আগেই তিনি তাকিয়ে ছিলেন। 
বুঝলাম, ভুল করে ফেলেছি, পরের বার সাবধান হতে হবে। 

পুলিশিংই একমাত্র নিরাময় পদ্ধতি হলে গাণিতিকহারে বাড়বে জেলখানা

পুলিশিংই একমাত্র নিরাময় পদ্ধতি হলে গাণিতিকহারে বাড়বে জেলখানা

নিজ পেশা নির্ধারণের কৌশল জানাটা সবার জন্যই খুব জরুরি। তা না হলে ৩৫ হাজার টাকার একটা কাজের আউটকাম হিসেবে একটা খুন এবং একটা ফাঁসি কিংবা যাবজ্জীবন জেল খুব বেশি এক্সপেন্সিভ হয়ে যায়। এতে বাদী-বিবাদী কোনো পক্ষেরই লাভ হয় না।

ন্যায়হীনতার বেশে মন্ত্রীর আঙুলে দম্ভের দেশে

ন্যায়হীনতার বেশে মন্ত্রীর আঙুলে দম্ভের দেশে

আমাদের শ্লীলতাহীন রাজনীতির অশ্রাব্য নিয়ে লিখতে ভালো লাগে না।

বঙ্গবন্ধুর সেই ‘কোকিল কণ্ঠী’

বঙ্গবন্ধুর সেই ‘কোকিল কণ্ঠী’

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তখনকার জনপ্রিয় নেতা শেখ মুজিব স্বভাবসুলভভাবে মঞ্চের এদিক এগিয়ে এলেন। পায়চারি করলেন। তারপর বললেন, ‘কিরে আজিজ আমি ঘাঘর থেকে একটি কোকিল কণ্ঠের বক্তব্য শুনছিলাম- সেই কোকিলটা কোথায়?’

জাতির জনকের ‘সেকেন্ড হোমে’

কয়েদখানা থেকে স্মৃতির ইতিহাস
জাতির জনকের ‘সেকেন্ড হোমে’

সেমিপাকা বড় একটি ঘর। পরিপাটি ঘরটি লম্বায় ৩০ ফুট আর প্রস্থে ১৮ ফিটের কম নয়। ভেতরটা গোছাল। চকি, টেবিল, খাবার থালাসহ নানা জিনিসপত্র থরে থরে সাজানো। পশ্চিমদিকে রান্নাঘর। পাশেই গোসলখানা। ঘরটির চারপাশ গাছপালায় ভরা। ঘরটি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের। বাঙালি জাতির প্রাণপুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দফায় দফায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দি ছিলেন ঘরটিতেই। 

বাঙালির নীল বেদনার আখ্যান

১৫ আগস্ট
বাঙালির নীল বেদনার আখ্যান

১৫ আগস্ট। বাঙালি জাতির জীবনে এক মর্মান্তিক কালো দিবস। পঁচাত্তরের এদিনে প্রকৃতি কেঁদেছিল অঝরধারায়, বাতাস হয়েছিল ভারী। বাংলার আকাশ-বাতাস নিসর্গ প্রকৃতিও অশ্রুসিক্ত হয়েছিল। কী নিষ্ঠুর, কী ভয়াল, কী ভয়ঙ্কর ছিল সেদিন। না, কোনো মেঘ, বৃষ্টি বা ঝড়ে নয়; সেটা ছিল শোকের মাতম। আর এই শোক ছিল সাত কোটি বাঙালি সন্তানের পিতা হারানোর শোক।

১৫ আগস্ট : ইতিহাসের নির্মম হত্যাকাণ্ড

১৫ আগস্ট : ইতিহাসের নির্মম হত্যাকাণ্ড

১৫ আগস্ট ১৯৭৫। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে নবপ্রতিষ্ঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে নেতৃত্বহীনতার সংকটে ফেলে চিহ্নিত কুচক্রী মহল মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করতে উদ্যত হয়েছিল। ওই নিষ্ঠুরতম হত্যাযজ্ঞ ঘটেছিল ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কের শেখ বাটিতে। স্তম্ভিত চতুর্দিক। হতবাক মানুষ। কেবল হন্তারকদের সাবধানী উল্লাস।

বিপর্যস্ত সড়ক; রাজধানীবাসী যাবে কোথায়!

বিপর্যস্ত সড়ক; রাজধানীবাসী যাবে কোথায়!

রাজধানীতে প্রায় দেড় কোটি মানুষের বসবাস। প্রকৃতপক্ষে এ সংখ্যা আরো বেশি। বাংলাদেশের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান রাজধানীতেই অবস্থিত। নানাবিধ প্রয়োজনে প্রতিদিনই সারা দেশ থেকে রাজধানীতে আসছে মানুষ।

পরকীয়ায় জড়ালেই ডিভোর্স নয়

পরকীয়ায় জড়ালেই ডিভোর্স নয়

একুশ বছরের একটি মেয়ে দু`বার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে। বর্তমানে তার মানসিক চিকিৎসা চলছে যেন আবার আত্মহত্যার চেষ্টা করে না বসে।

আনন্দ এবং বেদনার কাহিনী

সাদাসিধে কথা
আনন্দ এবং বেদনার কাহিনী

এই বছর আমরা গণিত পদার্থবিজ্ঞান এবং ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াডে সব মিলিয়ে এক ডজন মেডেল পেয়েছি। খবরটি সবাই জানে কি না আমি নিশ্চিত নই, আমাদের দেশের সংবাদপত্র খুবই বিচিত্র, তাদের কাছে সব খবর সমান গুরুত্বপূর্ণ নয়! কোনো কোনো অলিম্পিয়াডের খবর তারা খুবই গুরুত্ব নিয়ে ছাপাবে আবার কোনো কোনোটির খবর তারা ছাপাবেই না! কাজেই আমি ভাবলাম আমি নিজেই সবাইকে খবরটি দিই। একটা দেশের জন্য আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে এক ডজন মেডেল সোজা কথা নয়।