১ ভাদ্র ১৪২৪, বুধবার ১৬ আগস্ট ২০১৭, ১১:২১ অপরাহ্ণ
bangla fonts
facebook twitter google plus rss
Natun Somoy logo

৫৩টি নৌপথ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে  


১৮ জুন ২০১৭ রবিবার, ০২:২০  পিএম

নতুনসময়.কম


৫৩টি নৌপথ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে   

 

মৃতপ্রায় নৌপথগুলোকে সচল করার লক্ষ্যে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৩টি নৌপথ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান। বর্তমানে ৩৬টি নৌপথ খননের কাজ চলমান আছে বলেও জানান তিনি।

রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সরকারি দলের সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা জানান।

শাজাহান খান বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় প্রায় ৩২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নৌ টার্মিনাল নির্মাণসহ চট্টগ্রাম-ঢাকা-আশুগঞ্জ ও সংযুক্ত ৯০০ কিলোমিটার নৌপথে ক্যাপিটাল ড্রেজিং করা হবে। এ ছাড়া ১৪টি ল্যান্ডিং স্টেশন উন্নয়ন, ৬টি ভেসেল সাইক্লোন শেল্টার, ৬টি প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল, ২টি কার্গো টার্মিনাল এবং ৩০০ কিলোমিটার নেভিগেশানাল এইড স্থাপন করা হবে।

তিনি জানান, দেশের নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে নদী খননের লক্ষ্যে ১৪টি ড্রেজার কেনা হয়েছে। আরো ২০টি ড্রেজার কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। 

সরকারি দলের সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াছের লিখিত প্রশ্নের জবাবে শাজাহান খান সংসদে জানান, কক্সবাজার জেলার সেনাদিয়ায় একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য ২০০৯ সালে জাপানের প্যাসিফিক কনসালট্যান্ট ইন্টারন্যাশনাল (পিসিআই) কতৃক টেকনো ইকোনোমিক ফ্যাসিবিলিটি স্ট্যাডি করা হয়। 

পরামর্শক প্রতিষ্ঠান পিসিআই কতৃক দাখিলকৃত সমীক্ষা প্রতিবেদনে সোনাদিয়ায় তিন ধাপে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে বন্দর নির্মাণের কাজ শুরু করার পর তা বাস্তবায়নে পাঁচ বছর প্রয়োজন। দ্রুতই এই কাজ শুরু হবে। আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের কাজ যথাক্রমে ২০৩৫ সাল এবং ২০৫৫ সালে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ছাড়া জাইকা কর্তৃক মাতার বাড়িতে একটি বহুমুখী গভীর সমুদ্রবন্দর স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালিত হচ্ছে। 

স্বতন্ত্র সদস্য রহিম উল্লাহ`র প্রশ্নের জবাবে নৌমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বর্ষা মৌসুমে ৬ হাজার কিলোমিটার ও শুষ্ক মৌসুমে ৪৫০০ কিলোমিটার নৌপথ আছে।

তিনি জানান, কোনো লঞ্চ বা স্টিমারে যদি জীবন রক্ষাকারী সরঞ্জাম পর্যাপ্ত না থাকে তা হলে ওই লঞ্চের যাত্রা স্থগিত করাসহ মামলা দায়ের করা হবে। এ ছাড়া প্রতিটি লঞ্চে ভয়েজ ডিক্লারেশন প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

তিনি আরো জানান, অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই বন্ধ ও নৌ দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ঢাকা নদীবন্দরসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দরে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। ঈদ ও কালবৈশাখী মৌসুমে মোবাইল কোর্টের কার্যক্রম জোরদার করা হয়। 

নতুনসময়.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: