১২ ফাল্গুন ১৪২৩, শনিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
bangla fonts
facebook twitter google plus rss
Natun Somoy logo
Rifats Dental Implant Laser Cosmetic Care
Patbhavon

২২টি বই পড়ার পরামর্শ জাকারবার্গের


১৮ ডিসেম্বর ২০১৫ শুক্রবার, ০৫:১৬  পিএম

নতুনসময়.কম


২২টি বই পড়ার পরামর্শ জাকারবার্গের

বছরজুড়ে দারুণ একটি কাজ করেছেন ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। প্রতি দুই সপ্তাহে একটি করে বই পড়েছেন তিনি। এ বইগুলো সবার পড়া উচিত বলে নিজের ফেসবুক পেজেও লিখেছেন জাকারবার্গ।

বিজনেস ইনসাইডারের প্রতিবেদন জানিয়েছে জাকারবার্গের ২২টি প্রিয় বইয়ের কথা।

১. জন গার্টনারের `দ্য আইডিয়া ফ্যাক্টরি : বেল ল্যাবস অ্যান্ড দ্য গ্রেট এজ অব আমেরিকান ইনোভেশন`

সিলিকন ভ্যালির আধুনিক মানুষগুলো হয়তো মানতে চাইবেন না, কিন্তু লেখকের মতে, আমেরিকার দারুণ সব উদ্ভাবন হয়েছিল ১৯২০-১৯৮০ সালের মধ্যে। এক শতাব্দীর যুগান্তকারী সব উদ্ভাবনের কথা বইতে তুলে ধরেছেন তিনি।

২. হেনরি কিসিঞ্জারের `ওয়ার্ল্ড অর্ডার`

কন্যার জন্মের বেশ আগে থেকেই ভবিষ্যত প্রজন্মের শান্তিময় পৃথিবী নিয়ে ভাবতেন জাকারবার্গ। আর এর আশা জাগানিয়া বিষয় তুলে ধরা হয়েছে এই বইতে।

৩. ড্যারেন এসমোগলু এবং জেমস রবিনসনের `হোয়াই নেশনস ফেইল`

ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনলজির অর্থনীতিবিদ ড্যারেন এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জেমসের ১৫ বছরের গবেষণার ফলাফল উঠে এসেছে বইটিতে। রাষ্ট্র, সরকার এবং  দেশের অর্থনীতি বিষয়ক নানা তথ্য উঠে এসেছে এতে।

৪. ম্যাট রিডলের `দ্য র‌্যাশিওনাল অপটিমিস্ট`

বইটি দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। সম্ভবত এই বিজ্ঞান লেখকের সবচেয়ে বিতর্কিত বই বটে। জাকারবার্গ এই বইটি পড়েছেন আগেরটির কারণে। কারণ এতে আগের বইটির বিপরীত থিওরি  দেওয়া হয়েছে।

৫. ড্যারিল কলিনস, জোনাথন মরডাচ, স্টুয়ার্ট রাদারফোর্ড এবং অর্লান্ডা রুথভেন-এর `পোর্টফোলিওস অব দ্য পোর`

লেখকরা সবাই গবেষক। এরা বাংলাদেশ, ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার হতদরিদ্র মানুষের জীবনযাপন নিয়ে ১০ বছর গবেষণা করেছেন। চরম দারিদ্রতার নানা দিক ওঠে এসেছে এখানে।

৬. লিউ সিক্সিনের `দ্য থ্রি-বডি প্রবলেম`

২০০৮ সালে চীনে বইটি প্রথম প্রকাশ পায়। ইংরেজিতে অনুবাদ হওয়ার পর ২০১৫ সালে তা সেরা বই হিসাবে হুগো অ্যাওয়ার্ড লাভ করে। মাও জেদংয়ের সময়ের সাংস্কৃতিক অবস্থার কথা উঠে এসেছে এতে।

৭. ম্যাট রিডলের `জেনোমি`

এই লেখক জাকারবার্গের তালিকায় দ্বিতীয়বার উঠে এসেছে। এ বইয়ে জেনেটিসক নিয়ে নয়, বরং সমাজবিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে মানবজাতির ইতিহাসকে দেখানো হয়েছে।

৮. ইবনে খালদুনের `দ্য মুকাদ্দিমা`

এটা লেখা হয়েছিল ১৩৭৭ সালে। ইসলামিক ঐতিহাসিক খালদুন সেই সময় মানবজাতির ক্রমবর্ধমান উন্নতি নিয়ে লিখেছেন।

৯. উইভাল নোয়াহ হারারির `স্যাপিয়েনস`

হিব্রু ইউনিভার্সিটি অব জেরুজালেমের ঐতিহাসিক তিনি। আদিমকালের মানুষ থেকে আধুনিক মানুষের মধ্যে বিবর্তন তুলে ধরেছেন তিনি।

১০. উইলিয়াম জেমসের `দ্য ভ্যারাইটিস অব রিলিজিয়াস এক্সপেরিয়েন্স`

বইটি আমেরিকান দার্শনিকদের যাবতীয় বিষয় দেখিয়েছে। এখানে ধর্মতত্ত্ব মানুষের জীবনকে কিভাবে নানাভাবে প্রভাবিত করেছে তা দেখাচ্ছেন লেখক।

১১. মিশেল অ্যালেক্সান্ডারের `দ্য নিউ জিম ক্রো`

লেখক ওহিও স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন আইনের শিক্ষক। এ বইতে ক্রিমিনাল জাস্টিসকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখেছেন তিনি। জাকারবার্গের কাছের বিশেষ কয়েকজন মানুষ এ বইটি পড়ার পরামর্শ  দেন।

১২. মোইসেস নাইমের `দ্য ইন্ড অব পাওয়ার`

বিশ্বব্যাংকের সাবেক পরিচালক লেখক। কতৃত্বপরায়ণ সরকার, মিলিটারি এবং ক্ষমতাসীন ব্যক্তিদের মাঝে ক্ষমতা কিভাবে ছড়ায় তাই লিখেছেন এ বইতে।

১৩. এড ক্যাটমুলের `ক্রিয়েটিভিটি, ইনক`

কম্পিউটার অ্যানিমেশন জগতে জায়ান্ট পিক্সার সম্পর্কে বিস্তারিত লেখা হয়েছে বইটিতে। কর্মীবাহিনীর সৃষ্টিশীলতা ধরে রাখতে প্রতিষ্ঠান কি করেছে তা বলা হয়েছে এতে।

১৪. স্টিভেন পিঙ্কারের `দ্য বেটার অ্যাঞ্জেলস অব আওয়ার নেচার`

৮০০ পাতার বইটি পড়তে মন চাইবে না। কিন্তু হার্ভার্ডের মনোবিজ্ঞানীর বইয়ের ভাষা খুব সহজ। এ বইটি বিল গেটসের প্রিয় বইগুলোর একটি।

১৫. ইউলা বিসের `অন ইমিউনিটি`

জনস্বাস্থ্যের যত্নে ভ্যাকসিনেশন কতটা জরুরি তা বলা হয়েছে এ বইয়ে। সমাজের প্রতিটি মানুষকে সুস্থ্য রাখতে এর ভূমিকার কথা তুলে ধরা হয়েছে।

১৬. আইয়ান এম ব্যাঙ্কসের `দ্য প্লেয়ার অব গেমস`

হাইপার-অ্যাডভান্সড টেকনলজি ছেয়ে গেলে মানুষের জীবন কেমন হবে তা দেখার চেষ্টা করেছেন লেখক। বইটি টেসলা এবং স্পেসএক্স-এর সিইও ইলোন মাস্কেরও প্রিয় বই।

১৭. সুধির ভেঙ্কটেশের `গ্যাং লিডার ফর আ ডে`

কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানী লিখেছেন বইটি। অপরাধীচক্রের যাবতীয় বিষয় বুঝতে শিকাগোর একটি গ্যাংয়ের সঙ্গে মিশে যান তিনি। বইটি ভিন্ন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া শেখায়।

১৮. থমাস এস কুহনের `দ্য স্ট্রাকচার অব সায়েন্টিফিক রেভ্যুলেশন`

বিজ্ঞানের বিবর্তন তুলে ধরা হয়েছে এতে। কিন্তু বইটি এমন যেন একজন পদার্থবিজ্ঞানী পড়ছেন ফিলোসফি।

১৯. পিটার হুবারের `ওরওয়েলস রিভেঞ্জ`

ইন্টারনেট এবং টেলিকমিউকেশন প্রযুক্তি কিভাবে নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে তা উঠে এসেছে বইটিতে।

২০. ভ্যাকলাভ স্মিলের `এনার্জি`

শক্তি নিয়ে যাবতীয় কাজের কথা বলা হয়েছে এতে। এতে উৎপাদন কিভাবে যুক্ত হয় তাও বলা হয়েছে, তা ছাড়া লেখক বিল গেটসেরও প্রিয় লেখক।

২১. হেনরি এম পলসনের `ডিলিং উইথ চাইনা`

চীনের সংস্কৃতির প্রতি দারুণ দুর্বল জাকারবার্গ। তিনি মান্দারিন চাইনিজ ভাষা শিখেছেন। চীনের সঙ্গে যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে বইটি দারুণ কাজের।

২২. মাইকেল সুক-ইয়ং চয়ি`র `র‌্যাশিওনাল রিচুয়াল`

 সোশাল মিডিয়াকে কিভাবে সর্বোত্তম উপায়ে ব্যবহার করা যায় তা শেখানো হয়েছে বইটিতে। মানুষের চিন্তা-ভাবনার পেছনের মনোবিজ্ঞান দেখানো হয়েছে এতে।

 

নতুনসময়.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন:

সাহিত্য-সংস্কৃতি -এর সর্বশেষ