১ ভাদ্র ১৪২৫, বৃহস্পতিবার ১৬ আগস্ট ২০১৮, ১১:২৬ অপরাহ্ণ
bangla fonts
facebook twitter google plus rss
Natun Somoy logo

স্বর্ণদ্বীপ


১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ মঙ্গলবার, ১০:৪৭  পিএম

নতুনসময়.কম


স্বর্ণদ্বীপ

বিস্তীর্ণ প্রান্তর। মাইলের পর মাইল মাঠে লালচে-সবুজ ঘাস। দু-চোখ যতদূর যায় কেবলই ঝাউ গাছ ও নারিকেল গাছের সারি। কোথাও আবার ছোট ছোট খালের পাড়ে সুন্দরবনের মতো গাছপালা গজিয়ে হয়েছে গভীর অরণ্য। এরই মাঝে মনের সুখে অবারিত মাঠে ঘুরে বেড়াচ্ছিল হাজার হাজার মহিষ ও গরু।

শিল্পীর আঁকা ছবির মতো এমনই এক এলাকার নাম ‘স্বর্ণদ্বীপ’, যা এক সময় পরিচিত ছিল জাহাজ্জ্যার চর নামে। ১৯৭৮ সালে বঙ্গোপসাগর এবং মেঘনা নদীর মোহনায় জেগে ওঠা এ দীর্ঘ আয়তনের চরাঞ্চলের উন্নয়নমূলক কাজ করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলায় অবস্থিত এ স্বর্ণদ্বীপে গিয়ে দেখা গেছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের নানা চিত্র। মূলত স্বর্ণদ্বীপটি সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ এলাকা হিসেবেই ব্যবহৃত হচ্ছে। সেনাবাহিনীর আধুনিক সব ধরনের প্রশিক্ষণের জন্য এ দ্বীপ অঞ্চলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর বাইরেও সেনাবাহিনী এখানে গড়ে তুলেছে বনায়ন ও খামার এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নমূলক ব্যবস্থা।

বিশাল ‘মিলিটারি ফার্ম’ ছাড়াও সমতল ভূমির এ দ্বীপে মাছ চাষের জন্য কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে অনেক পুকুর। যত দিন যাচ্ছে স্বর্ণদ্বীপ যেন ততই সত্যিকারের স্বর্ণেই রূপান্তর হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগর এবং মেঘনা নদীর মোহনায় ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ১৪ কিলোমিটার প্রশস্তে এ বিস্তৃর্ণ স্বর্ণদ্বীপটি ২০১২ সালে সেনাবাহিনীকে স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেয় সরকার।

এক সময় এ দ্বীপটি জলদস্যু, ডাকাতসহ অপরাধীদের অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিতি পেলেও পরবর্তী সময় সেনাবাহিনীর ক্রমাগত অপারেশনের কারণে এখন আর সেখানে কোনো অপশক্তির অস্তিত্ব নেই। বর্তমানে সবুজ বনায়ন এবং সেনাবাহিনীর নানা অবকাঠামোগত উন্নয়নের ফলে স্বর্ণদ্বীপ নয়নাভিরাম এলাকায় পরিণত হয়েছে।

এসএ/

নতুনসময়.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: