৩০ শ্রাবণ ১৪২৫, মঙ্গলবার ১৪ আগস্ট ২০১৮, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
bangla fonts
facebook twitter google plus rss
Natun Somoy logo

লাইসেন্স-ফিটনেস সনদের জন্য বিআরটিএতে উপচেপড়া ভিড়


০৫ আগস্ট ২০১৮ রবিবার, ০৯:২০  পিএম

নতুনসময়.কম


লাইসেন্স-ফিটনেস সনদের জন্য বিআরটিএতে উপচেপড়া ভিড়

দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনরত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা মাত্র এক সপ্তাহে দেখিয়ে দিয়েছে চাইলে সবকিছু নিয়মতান্ত্রিকভাবে চলতে পারে। ট্রাফিক ব্যবস্থায় বিশৃঙ্খলা, অবৈধ যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করে তারা প্রমাণ করেছে পুলিশ চায় না তাই হয় না।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষে (বিআরটিএ) ধুম পড়েছে লাইসেন্স-ফিটনেস সনদের জন্য। পুলিশ এত দিন না পারলেও শিক্ষার্থীরা ঠিকই টনক নড়িয়েছে সবার।

লাইসেন্সবিহীন চালক ও ফিটনেসবিহীন পরিবহন সড়কে নয়, ছাত্রদের এমন দাবির বাস্তবায়নে ভিড় বেড়েছে বিআরটিএ-তে। সংস্থাটি জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন শুরুর পর থেকেই ভিড় বেড়েছে। আর গত দু’তিন দিনে প্রতিদিন লাইসেন্সসহ বিভিন্ন বৈধ ডকুমেন্ট তৈরির আবেদন বেড়েছে দ্বিগুণ।

সরেজমিনে বিআরটিএ সার্কেল-১ কার্যালয়, মিরপুরে গিয়ে দেখা যায় উপচেপড়া ভিড়। গাড়ি আর লোকজনের সমাগমে স্বস্তিতে দাঁড়ানোর মতো জায়গা নেই। প্রাইভেটকারের লাইনের লেজ গিয়ে ঠেকেছে পুলিশ কনভেনশন সেন্টারের সামনে। আর ভেতরে মোটরসাইকেলসহ অন্য গাড়ির জন্য চলাচল করাই কষ্টসাধ্য।

কাউন্টারে ভিড়আগতদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রাইভেটকারের বেশির ভাগই এসেছে ফিটনেস সার্টিফিকেট আর মালিকানা পরিবর্তনের জন্য। অনেকেই এসেছেন ড্রাইভিং লাইসেন্স, কেউবা ডিজিটাল নম্বর প্লেট, ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন কার্ড করতে। অনেকেই এসেছেন লার্নার কার্ডের জন্য। প্রতিটি বুথেই ভিড় লক্ষ্যণীয়। সকাল থেকেই লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে কাজ সারছেন আগতরা। হঠাৎ বাড়তি লোকের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বিআরটিএ।

সংস্থাটির উপ-পরিচালক মো. মাসুদ আলম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা স্পেশাল ড্রাইভ দিচ্ছি। শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরুর পর থেকে আমাদের পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছে। সব মিলিয়ে গত তিনদিনে ব্যাপক আবেদন পড়ছে।

বিআরটিএ কর্মকর্তাসহকারী পরিচালক আলী আহসান মিলন জানান, আগে প্রতিদিন ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য গড়ে ১১০টির মতো আবেদন পড়তো। এখন প্রতিদিন পড়ছে ২৩০টির মতো। নবায়নের জন্য আগে ৫০টি আবেদন পড়তো, এখন পড়ছে ৯০টির বেশি। ফিটনেস সনদ নিতে আগে প্রতিদিন আবেদন পড়তো ৯শ। এখন পড়ছে ১ হাজার ৪শ।

এছাড়া মালিকানা পরিবর্তন, ডিজিটাল নম্বর প্লেট, ডিজিটাল ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি কাজেও আবেদন বেড়েছে। এটি একটি বিরাট সাফল্য। তবে এই চাপ সামলানোর জন্য আমাদের পর্যাপ্ত লোকবল নেই। আগের লোকবল দিয়ে সব সামলানো হচ্ছে।

এমএ

নতুনসময়.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: