২ পৌষ ১৪২৪, রবিবার ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭, ৮:১৩ পূর্বাহ্ণ
bangla fonts
facebook twitter google plus rss
Natun Somoy logo

বাসযোগ্য নগরী গড়তে নাগরিকদের দায়িত্বশীল হতে হবে


০৬ ডিসেম্বর ২০১৭ বুধবার, ০৬:২৩  এএম

নতুনসময়.কম


বাসযোগ্য নগরী গড়তে নাগরিকদের দায়িত্বশীল হতে হবে

আধুনিক বাসযোগ্য নগরী গড়তে নাগরিকদের সংবেদনশীলতার পাশাপাশি দায়িত্বশীল হতে হবে।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘স্মার্ট সিটি ক্যাম্পেইন’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে সেন্টার ফর আরবান স্টাডিজের চেয়ারম্যান নগরবিদ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, স্মার্ট নেতৃত্ব, স্মার্ট পলিসি, আইনের শাসন ও দায়িত্বশীল নাগরিকদের সমন্বয়েই বাংলাদেশের একেকটি শহর আধুনিক হয়ে উঠবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভো থিয়েটারে গত ২৯ নভেম্বর সপ্তাহব্যাপী ‘স্মার্ট সিটি ক্যাম্পেইন’ শুরু হয়।

ইউএনডিপি বাংলাদেশ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এটুআই প্রকল্প ও বিভিন্ন অংশীদারদের সম্মিলিত উদ্যোগে সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী, স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন, পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, এ কে খান অ্যান্ড কো. লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালাহউদ্দিন কাশেম খান, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যার্নাস’র সভাপতি প্রফেসর আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আকতার মাহমুদ, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)’র যুগ্ম সম্পাদক স্থপতি ইকবাল হাবিব, ইউএনডিপি’র আরবান প্রোগ্রাম অ্যানালিস্ট আশেকুর রহমান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সারোয়ার জাহান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. হেলালউদ্দিন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মো. নুরূল্লাহ এবং জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো।

অনুষ্ঠানে ‘ভবিষ্যত শহর’ শীর্ষক উপস্থাপনায় ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বাংলাদেশের নিজস্ব আঙ্গিকে ভবিষ্যতের শহর গড়তে ‘স্মার্টনেস’-এর প্রচলিত ধারায় আবদ্ধ না হওয়ার পরামর্শ দেন। অন্তুর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করে বাংলাদেশের উপযোগী আধুনিক শহর গড়ার পরামর্শ দেন তিনি।

‘কেমন শহর চাই’ শীর্ষক উপস্থাপনায় বেঙ্গল ইনস্টিটিউট ফর আর্কিটেকচার, ল্যান্ডস্কেপ অ্যান্ড সেটেলমেন্টের মহাপরিচালক স্থপতি খালিদ আশরাফ বলেন, ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে নেটওয়ার্কের আওতায় না আনলে যানজট সমস্যার সমাধান হবে না। আর এই নেটওয়ার্ক মূলত রেল নির্ভর হতে হবে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের নগর নিয়ে স্বকীয় উদ্ভাবনী ক্ষমতার বিকাশ ও উৎসাহ প্রদান করতে ‘ইনোভেশন এক্সেলেন্স’ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। আগামী বছর থেকে নগর সুশাসন, পরিকল্পনা, স্থাপত্য, গণযাতায়াত ব্যবস্থা এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তি- এই বিষয়সমূহে পুরস্কার প্রদান করা হবে, যা ‘স্মার্ট সিটি ইনোভেশন এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ নামে অভিহিত হবে।

বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটারে গত ২৯ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ‘স্মার্ট সিটি উদ্ভাবনী প্রদর্শনীর’ অংশ্রগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪টি শ্রেণীতে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

‘স্মার্ট সিটি’ ক্যাটাগরিতে চাঁদপুর, ঝিনাইদহ, ফরিদপুর এবং মংলা পৌরসভা নিজ নিজ শহরে উদ্ভাবনী কার্যক্রমের জন্য এ পুরস্কার লাভ করে।

অনুষ্ঠানে বাস্তবায়নাধীন এবং আগামীতে হবে এমন ৮টি স্মার্ট উদ্ভাবনী ধারণার জন্য নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন, ব্র্যাক, ওয়ার্ক ফর বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট, ওয়াসা, ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের স্থাপত্য বিভাগ, নগর উন্নয়ন অধিদপ্তর, প্র্যাকটিক্যাল অ্যাকশন এবং রাজউক পুরস্কার লাভ করে।

ক্যাম্পেইনে ‘স্মার্ট সিটি ইনোভেশন হাব’ নামে তিনদিনব্যাপী একটি জাতীয় প্রদর্শনী, ময়মনসিংহে হ্যাকাথন, পেশাজীবীদের সাথে মতবিনিময়, সাইকেল র্যা লি, ছবি প্রদর্শনী, রংতুলিতে শিশুর স্বপ্নের শহর, তৃণমূল সংলাপ, নিরাপদ নগর নিয়ে কমিউনিটির সঙ্গে পরামর্শ সভাসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

নতুনসময়.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: