৬ বৈশাখ ১৪২৫, বৃহস্পতিবার ১৯ এপ্রিল ২০১৮, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
bangla fonts
facebook twitter google plus rss
Natun Somoy logo

পলিথিনের উৎপাদন-বিপণন পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না


১০ জানুয়ারি ২০১৮ বুধবার, ০১:২৮  এএম

নতুনসময়.কম


পলিথিনের উৎপাদন-বিপণন পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না
ফাইল ছবি

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, সহজলভ্য বিকল্প তৈরি না হওয়ায় পলিথিনের উৎপাদন ও বিপণন পুরোপুরি বন্ধ করা যাচ্ছে না।

মঙ্গলবার (০৯ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য আমিনা আহমদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ সব কথা জানান।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ আইন অনুযায়ী পলিথিনের উৎপাদনে কিছু কিছু বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তবে সব ধরনের পলিথিন উৎপাদন নিষিদ্ধ নয়। রফতানিকৃত পণ্যের বাজারজাত রেণু পোনা পরিবহন, মাশরুম চাষ ও প্যাকেজিং কাজে এবং নার্সারির চারা উৎপাদন ও বিপণনের জন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে পলিথিন উৎপাদনে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ সুবিধার অপব্যবহার করে নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উৎপাদন, বিপণন করা হচ্ছে।

সরকারি দলের মামুনুর রশীদ কিরণের অপর এক প্রশ্নের জবাবে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ জানান, রাজধানী ঢাকা এবং চট্টগ্রামসহ সারাদেশে বায়ুদূষণ রোধ এবং প্রকাশ্যে ধূমপান বন্ধ করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, বায়ুদূষণ রোধে সরকার নির্মল বায়ু ও টেকসই পরিবেশ কেইস নামে একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের অধীন বায়ুদূষণ মনিটরিং, দূষণ নিয়ন্ত্রণ, গবেষণা এবং অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশের জনবহুল আটটি শহরে ১১টি সার্বক্ষণিক বায়ুমান পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করে বায়ুমান পরীক্ষা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, এছাড়া দেশের সব ইটভাটায় বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে ৬৫ দশমিক ২০ ভাগ ইটভাটা আধুনিক প্রযুক্তিতে রূপান্তর করা হয়েছে। প্রতিটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) স্থাপনে বাধ্য করা হচ্ছে। যানবাহনে বায়ুদূষণ রোধে বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে পাঁচ হাজার যানবাহনকে ১৪ লাখ ৫১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ ছাড়া সারাদেশে পরিবেশ সুরক্ষায় সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। পরিবেশ সুরক্ষায় সব নদীর পানি দূষণ রোধেও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

পরিবেশ দূষণ রোধ জরিমান আদায় প্রসঙ্গে পরিবেশমন্ত্রী বলেন, সরকার ২০১৭ সালে একহাজার ৩৮৫টি তরল বর্জ্য নির্গমণ থেকে ১৭৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ আরোপ করে ১০৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আদায় করা হয়েছে।

২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত এক হাজার ৬১৯টি শিল্প-প্রতিষ্ঠানে ইটিপি স্থাপন করা হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে শিল্প বর্জ্য দূষণ হ্রাস করার লক্ষ্যে ২৭৪টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অনুকূলে জিরো ডিসচার্জ পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড থেকে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ১৯টি উপকূলীয় জেলায় ১,২৩০ কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৮৫টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে মন্ত্রী সংসদকে জানান।

নতুনসময়.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: