৭ আষাঢ় ১৪২৫, বৃহস্পতিবার ২১ জুন ২০১৮, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ
bangla fonts
facebook twitter google plus rss
Natun Somoy logo

জিও লেটার কেন আরেকটু দেরি করল না


১৩ মার্চ ২০১৮ মঙ্গলবার, ০৯:১৬  পিএম

নতুনসময়.কম


জিও লেটার কেন আরেকটু দেরি করল না

সোমবার নেপালের কাঠমান্ডুতে ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজের যাত্রী ছিলেন সালমা। তিনি ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের জেনারেল ইকোনমিক ডিভিশনের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট চিফ। দুই দিনের অফিসের কাজে সোমবার দুপুর ১২টা ৫১ মিনিটে কাঠমান্ডুর উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকর্মী নাজিয়া আফরিন। দুজনের কেউই এখন বেঁচে নেই।

সালমার বড় ভাই আনোয়ার সাদাতের সঙ্গে রাজধানীর দক্ষিণ খানের হেলান রোডের বাড়িতে কথা হয় আজ মঙ্গলবার দুপুরে। ছায়া ঢাকা নিরিবিলি বাড়িটিতে শোকের ছায়া স্পষ্ট। আনোয়ার সাদাত বলেন, ‘বেলা ১১টার দিকে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে আমাদের বাড়িতে ফোন করে বলেছিল, “আমি সকালে জিও লেটার পেয়েছি। এখন নেপাল যাচ্ছি।” এটাই ছিল সালমার শেষ কথা।’

কিছুক্ষণ চুপ থেকে আনোয়ার সাদাত যেন আপনমনেই বলে উঠলেন, ‘জিও লেটার একটু পরে পেলে সালমা হয়তো বেঁচে যেতে। দুদিনের জন্য নেপাল যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আগের দিন রোববারও ওর জিও লেটার আসেনি। গতকাল সকালে অফিসে যাওয়ার পরই সালমার হাতে জিও লেটারটি আসে।’

তিন ভাই, দুই বোনের মধ্যে সালমা সবার ছোট। সালমা উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন হলিক্রস কলেজ থেকে। এরপর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে যোগ দেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে। পরে বিসিএস পাস করে সালমা পরিকল্পনা কমিশনে যোগ দেন। ব্রিটিশ-আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানির কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন ভূঁইয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। তাঁদের সংসারে রয়েছে সামারা নামে আড়াই বছরের এক মেয়ে। এই মেয়েকে নিয়ে এখন সালমার পরিবারের চিন্তা।

এসএ

নতুনসময়.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: