১ ভাদ্র ১৪২৪, বৃহস্পতিবার ১৭ আগস্ট ২০১৭, ৫:৪৩ পূর্বাহ্ণ
bangla fonts
facebook twitter google plus rss
Natun Somoy logo

কম বয়সীদের মেলামেশায় বাড়ে আয়ু


১১ আগস্ট ২০১৭ শুক্রবার, ০১:৩৮  পিএম

নতুনসময়.কম


কম বয়সীদের মেলামেশায় বাড়ে আয়ু
প্রতীকী ছবি

মাদক, ধূমপান ও অতিরিক্ত ওজনের মতো একাকিত্বও কম বয়সীদের মৃত্যুর কারণ হতে পারে। একাকিত্ব কম বয়সীদের এতটাই ঘিরে রাখে- ধীরে ধীরে তাদের শরীর ভাঙতে শুরু করে। সেসঙ্গে স্ট্রেস লেভেলও বেড়ে যায়। এর কারণে মস্তিষ্ক ও হার্টে মারাত্মক চাপ পড়ে। তবে ভয়ের কিছু নেই। বন্ধু-বান্ধবী, সঙ্গী বা আপনজনদের সঙ্গে মেলামেশা বাড়ালে স্ট্রেস লেভেল কমতে শুরু করে।

শুধু তাই নয়, মস্তিষ্কে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণে মন খারাপও কমতে শুরু করে। এটা মন ভালো করে দেয়। হাসিখুশি মন মৃত্যুর বদলে আয়ু বাড়িয়ে দিতে পারে।

সম্প্রতি একদল মার্কিন গবেষক একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন, সেখানে দেখা গেছে- একাকিত্ব দ্রুত আয়ু কমিয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, কম বয়সে হঠাৎ মারা যাওয়ার আশঙ্কাও বাড়ায় একা থাকার অভ্যাস।

গবেষণায় দেখা যায়, অনেক কিশোর-কিশোরী বা তরুণ-তরুণী বাবা-মা বা পরিবারের সঙ্গে থাকার সুযোগ পায় না। বড় শহরে পড়াশোনা, কোনো দূর দেশে চাকরি, সেসঙ্গে চাকরির চাপে বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গেও দূরত্ব বেড়ে যায়।

এভাবে একাকিত্ব এতটাই গ্রাস করে- ধীরে ধীরে শরীর ভাঙতে শুরু করছে। সেইঙ্গে স্ট্রেস লেভেল বাড়ার কারণে মস্তিষ্ক ও হার্টে মারাত্মক চাপ পড়ে। ফলে মৃত্যুর কালো মেঘ ঘনিয়ে আসে তাদের জীবনে।

তবে মার্কিন গবেষক প্রফেসর জুলিয়েনা হল্টের মৃত্যুর কালো মেঘ সরাতে সঙ্গীর সঙ্গে মেলামেশার ওপর জোর দিয়েছেন।

প্রফেসর জুলিয়েনার মতে, মেলামেশা বাড়ালে স্ট্রেস লেভেল কমতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, মস্তিষ্কে বিশেষ কিছু হরমোনের ক্ষরণের কারণে মন খারারও কমতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীর চাঙ্গা হয়।

প্রায় ৩ লাখ মানুষের ওপর করা এ গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিনিয়ত মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করেন, তাদের সময়ের আগে মারা যাওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যায়।

হয়তো চাকরি ছেড়ে বাবা-মায়ের কাছে ফেরত যাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু প্রতিদিন অফিস থেকে ফিরে কফিহাউজে বন্ধু-বান্ধবীদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা দেয়া যেতে পারে।

 

আরো পড়ুন

নতুনসময়.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: