২ ভাদ্র ১৪২৫, শুক্রবার ১৭ আগস্ট ২০১৮, ৭:৪৮ পূর্বাহ্ণ
bangla fonts
facebook twitter google plus rss
Natun Somoy logo

অস্তিত্বহীন ১৮৯ প্রতিষ্ঠান, ব্যবস্থা নেবে মন্ত্রণালয়


২৯ মে ২০১৮ মঙ্গলবার, ০৮:১৯  পিএম

নতুনসময়.কম


অস্তিত্বহীন ১৮৯ প্রতিষ্ঠান, ব্যবস্থা নেবে মন্ত্রণালয়

শিক্ষা মন্ত্রণালয় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ১৮৯টি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা রয়েছে নামেই। বাস্তবে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনও অস্তিত্ব নেই। এগুলোর বিরুদ্ধে এবার ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গতবছরের ২৮ নভেম্বর স্বীকৃতি পাওয়া কিন্তু অস্তিত্বহীন স্কুল ও কলেজের তথ্যসহ তালিকা চায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। পাশাপাশি অনুমোদনহীন ও স্বীকৃতিহীন চালু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকাও চাওয়া হয় ওই সময়। দেশের ৯টি অঞ্চল–ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক এবং ৬৪ জেলার শিক্ষা কর্মকর্তারা সে অনুযায়ী অস্তিত্ব নেই এমন ১৮৯টি স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার তালিকা পাঠান।

তালিকা পাওয়ার পর গত ৩ এপ্রিল মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. মাহাবুবুর রহমান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব বরাবর চিঠি দেন। ওই চিঠিতে এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়। অধ্যাপক মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘অস্তিত্ব নেই এমন প্রতিষ্ঠান ছেঁটে ফেলা প্রয়োজন। মন্ত্রণালয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য মতামত চাওয়া হয়েছে। মতামত পাওয়া গেলে এসব প্রতিষ্ঠান ছেঁটে ফেলা হবে।’

এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্ম সচিব (মাধ্যমিক) সালমা জাহান বলেন, ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে শিগগিরই নির্দেশ দেওয়া হবে।’ মন্ত্রণালয়ের মতামত পাওয়ার পর কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে জানতে চাইলে মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান বলেন, ‘অস্তিত্বহীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যাদের একাডেমিক স্বীকৃতি ও পাঠদানের অনুমতি রয়েছে, তা বাতিল করা হবে।’

গতবছরের ২৮ নভেম্বর মাউশির পরিচালক (প্রশাসন ও কলেজ) অধ্যাপক মোহাম্মদ শামছুল হুদা স্বাক্ষরিত আদেশে দেশের ৯টি অঞ্চল ও ৬৪ জেলার শিক্ষা কর্মকর্তাদের কাছে দেশের অস্তিত্বহীন সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা চাওয়া হয়। জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ, প্রশ্নপত্র ফাঁস, ঝরে পড়া রোধ ও দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশে এই তথ্য চাওয়া হয়েছিল।

ওই সময় অধ্যাপক মোহাম্মদ শামছুল হুদা বলেন, ‘নামের স্বীকৃতি থাকলেও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনও অস্তিত্ব নেই। আবার স্বীকৃতি বা পাঠদানের অনুমোদন না থাকলেও নিয়মিতই চলছে কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাই মনিটরিংয়ের জন্যই জরুরিভাবে তথ্যসহ তালিকা চাওয়া হয় মাঠপর্যায় থেকে। এছাড়া অনুমোদন নিয়েও অনেক প্রতিষ্ঠান চালানো হচ্ছে না। অস্তিত্বহীন এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নামে অন্য কিছু করা হচ্ছে কিনা তা জানা দরকার। সরকারের নিয়ম-নীতির বাইরে কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে কিনা, এর মাধ্যমে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ার মতো কোনও কিছু পরিচালিত হচ্ছে কিনা এবং বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলছে কিনা তা মনিটরিং করা হবে। এছাড়া ঝরে পড়া রোধসহ বিভিন্ন কারণে তথ্যসহ তালিকা চাওয়া হয়।’

নতুনসময়.কম এ প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, তথ্য, ছবি, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট বিনা অনুমতিতে ব্যবহার বেআইনি।

আপনার মন্তব্য লিখুন: